কম খরচে, স্বল্প সময়ে, আইসিটি দক্ষতা ছাড়াই জনগণকে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে স্বচ্ছতার সাথে সহজে সেবা প্রদান করার লক্ষ্যে গৃহীত ছোট আকারের প্রকল্পই হলো কুইক-উইন বা সহজসাধ্য উদ্যোগ ।
ক) সেবা প্রদানে আইসিটি’র শক্তি, মিতব্যয়িতা এবং নমনীয়তা প্রমাণ করা;
খ) আইসিটি যে কোন কঠিন বিষয় নয় সে ব্যাপারে আত্মবিশ্বাস অর্জন করা;
গ) সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্ভাবনী পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ঝুঁকি নিতে উৎসাহ প্রদান করা;
ঘ) সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি)-কে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে প্রাইভেট সেক্টর এবং এনজিওকে বিশ্বস্ত সহযোগী ও বিনিয়োগকারী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা;
যে সকল কুইক-উইনের পরিকল্পনা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ফোকাল-পয়েন্ট, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট মহাপরিচালক ও পরিচালক এবং সমন্বয়কারীর সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয় সেগুলো হলো প্রস্তাবিত কুইক-উইন।
যে সকল কুইক-উইনের নীতিগত অনুমোদন সম্পন্ন হয়েছে এবং সেটির অনুকূলে বাজেট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে সেগুলো হলো অনুমোদিত কুইক-উইন।
যে সকল কুইক-উইনের সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের কাজ চলছে এবং কুইক-উইন বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সকল হার্ডওয়্যার ক্রয় প্রক্রিয়াধীন রয়েছে সেগুলো হলো নির্মাণাধীন কুইক-উইন।
কুইক-উইনের বাস্তবায়নের জন্য স্থাপিত হার্ডওয়্যারসমূহে সফটওয়্যার সফলভাবে চলছে এবং এর মাধ্যমে প্রত্যাশিত পরিবর্তন পরিলক্ষিত হচ্ছে সে সকল কুইক-উইন ‘কার্যক্রম শুরু হয়েছে’ হিসেবে গণ্য হবে।
যে সকল কুইক-উইন বরাদ্দকৃত বাজেটের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু করে জনগণকে সেবা প্রদান শুরু করেছে বা যার মাধ্যমে প্রত্যাশিত পরিবর্তন সম্ভব হয়েছে এবং পরবর্তীতে বড় আকারের প্রকল্প গ্রহণের প্লাটফর্ম তৈরি হয়েছে/ সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে সে সকল কুইক-উইনের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে হিসেবে ধরা যাবে।
১। পরিবর্তনের রূপকার হিসেবে স্ব স্ব মন্ত্রণালয়/ বিভাগ এবং এর অধীনস্থ সংস্থাসমূহের সেবা প্রদানের প্রক্রিয়া এবং কাজের আভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া পরিবর্তনে সহায়ক ভূমিকা পালন করা;
২। স্ব স্ব মন্ত্রণালয়/ বিভাগ এবং এর অধীনস্থ সংস্থাসমূহের সিটিজেন চার্টার এর ভিত্তিতে নাগরিকের জন্য নির্ণীত ই-সেবাসমূহের অগ্রাধিকার নির্ধারণ এবং বাস্তবায়নে সহায়তা করা;
৩। গৃহীত ‘কুইন-উইন’ পাইলট আইসিটি উদ্ভাবনী কার্যক্রমসমূহের ব্যপকতা বৃদ্ধির মাধ্যমে উদ্ভাবনকে উৎসাহ প্রদান করা;
৪। নাগরিকের ই-সেবা প্রদান কার্যক্রম পরিবীক্ষণ করা;
৫। সকল আইসিটি কর্মকান্ডের সমন্বয় করা;
৬। সকল আইসিটি কর্মকান্ডের বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় বাজেট প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা;
৭। ই-গভর্নেন্স ফোকাল পয়েন্টদের জন্য নিয়মিত আয়োজিত কর্মশালায় অংশগ্রহণ এবং বাস্তবায়ন অগ্রগতি, দ্রুত বাধা অতিক্রম কৌশল ও নতুন উদ্ভাবনী ধারণা নিয়ে অপর মন্ত্রণালয়/ বিভাগ-এর ফোকাল পয়েন্টগণের সাথে মতবিনিময় করা;